Wednesday, February 4, 2009

সমুদ্রের রাধুনী ডলফিনরা রন্নাকরে জলের মধ্যে………।।

ডলফিন যে বুদ্ধিমান বহু গবেষণায় এটা প্রমান হযেগেছে। ওদের নিজেদের ভাষা আছে সেটাও প্রমানীত সত্য। এবার আবিস্কার হল ওদের রান্না-বান্না-ঘর-কন্নার কথা।
সূক্ষ্ম ও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ডলফিনরা তাদের শিকার করা কাটলফিশের আঁশ এবং কাঁটা ছাড়িয়ে যেভাবে খাবার উপযোগী নরম উপাদানে (জলজ ড্রাই ফুড) পরিণত করে তাতে এদেরকে সমুদ্রের রাধুনী বলা যেতে পারে৷ অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই কথা৷
অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণের রাজ্য স্পেন্সার গাল্ফে একটি নারী প্রজাতির ডলফিনকে তার শিকার করা সামুদ্রিক মাছকে খাবার উপযোগী করে তুলতে, ধাপে ধাপে ঠিক এই জটিল প্রক্রিয়াটি অনুসরন করে রান্না করতে দেখা গিয়েছে।
গবেষক দলের সদস্য এবং ভিক্টোরিয়া জাদুঘরের পরিচালক মার্ক নরম্যান ক্যানবেরা টাইমস পত্রিকাকে বলেন,-“ ডলফিনদের বুদ্ধিমত্তা কী পরিমাণে উন্নত হচ্ছে এটা তারই মাপকাঠি”৷
গবেষক দল বলেছেন, তাঁরা একাধিকবার দেখেছেন যে, একটি মেয়ে ডলফিন সামুদ্রিক মাছ ধরে বালুকাময় সমুদ্র তলদেশে নিয়ে শৈবাল থেকে আলাদা করে৷
এরপর ডলফিনটি তার সুঁচালো অগ্রভাগ দিয়ে সামুদ্রিক মাছটিকে ফুঁড়ে এমনভাবে আছাড় দেয় যে, একটা শব্দ করে মাছটির মেরুদন্ড ভেঙ্গে যায়৷ মেরুদন্ড ভাঙ্গার এই শব্দ ডুবুরিরা পর্যন্ত শুনতে পায়৷ তারপর ডলফিনটি, মাছটিকে উপরে তুলে তার নাক দিয়ে আঘাত করে কাটলফিশের আত্নরক্ষার জন্য থাকা বিষাক্ত কালো তরল পদার্থ বের করে দেয়৷
পরে শিকারটিকে সমুদ্র তলদেশে নিয়ে যায় এবং সেখানে বালি দিয়ে ঘঁষে আঁশ ছাড়িয়ে এটাকে নরম খাদ্যে পরিণত করে৷
জুরিখ ইউনিভার্সিটির গবেষক মাইকেল ক্রুটজেন নিউ সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিনকে বলেছেন, স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সাধারণত খাবার খোঁজার সময় স্পঞ্জ জাতীয় এক ধরণের গ্লাভস ব্যবহার করে থাকে৷
অন্যান্য গবেষকগণ দেখেছেন, ডলফিনরা চাঁদামাছ জাতীয় শিকারের কাঁটা এবং মেরুদন্ড বাদ দিতে এবং মিটার খানেক দীর্ঘ গোল্ডেন ট্রাভেলি মাছকে খাওয়ার উপযোগী করতে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করে থাকে৷

Please visit vinnobasar sponsorer:
Taking care of your parents in Kolkata


ভারতের হেলায় সিঙ্ঘল জয়..


ওয়ানডেতে ওয়াসিম আক্রমের সর্বোচ্চ উইকেটের (৫০২) রেকর্ড স্পর্শ করেছেন মুত্তিয়া মুরলিধরন। কিন্তু 'মুরলি'র রেকর্ড স্পর্শ করার দিনটি মোটেও খুশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কাকে। কারণ, এদিনই যে টানা তৃতীয় হারের স্বাদ পেতে হয়েছে তার দলকে! বীরেন্দর শেহবাগ ও যুবরাজ সিংয়ের জোড়া সেঞ্চুরির পর প্রজ্ঞান ওঝার ঘুর্ণিতে তৃতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই পাঁচ ম্যাচের সিরিজটাও জিতে নিয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। মঙ্গলবারের এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শেহবাগের ১১৬ আর যুবরাজের ১১৭ রানের দুটো ইনিংসের সুবাদে ভারত ৫০ ওভারে তুলেছিল ৫ উইকেটে ৩৬৫ রানের বিশাল সংগ্রহ। জবাব দিতে নেমে শ্রীলঙ্কানরা অলআউট হয়ে গেছে মাত্র ২১৬ রানে। ওভার প্রতি সাতেরও বেশি রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কানদের পক্ষে একাই লড়াই করেছেন কুমার সাঙ্গাকারা। তার ৮৩ রানের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর তিলকরত্নে দিলশানের ৩১। এছাড়া অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে ৩০ আর পারভিজ মাহারুফ ২২ রান করেন। ৩৮ রান দিয়ে চার উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলংকানদের সর্বনাশটা করেছেন ভারতের লেগস্পিনার প্রজ্ঞান ওঝা। এছাড়া ৪১ রান দিয়ে দুই উইকেট পেয়েছেন প্রভীন কুমার। কলম্বোর রানাসিংহে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতের শুরুটা অবশ্য মোটেও ভালো হয়নি। সিরিজে প্রথমবারের মতো খেলতে নামা দিলহারা ফার্নান্দোর প্রথম ওভারের (ইনিংসের দ্বিতীয়) শেষ বলে এল বি ডব্লু হয়ে গেছেন শচীন তেন্ডুলকার (৭)। ওয়ানডের সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির মালিকের সিরিজে এটা তৃতীয় বারের মতো এল বি ডব্লু র ফাঁদে পড়া এবং এবারের সিদ্ধান্তও ছিল যথেষ্ট প্রশ্ন বিদ্ধ। দলীয় ৯ রানে তেন্ডুলকারকে হারানো ভারত ইনিংসের চতুর্থ ওভারে আরেকটা ধাক্কা খেয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে গেছেন ভালো ফর্মে থাকা গৌতম গম্ভীর (১০)। ফার্নান্দোকে বোলারস ব্যাক ড্রাইভ করে মাঠের বাইরে পাঠাতে চেয়েছিলেন শেহবাগ। কিন্তু বল ফার্নান্দোর হাতে লেগে ভেঙ্গে দিয়েছে নন-স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্প। গম্ভীরকেও তাই ফিরে আসতে হয়েছে একরাশ হতাশা নিয়ে। তবে দলকে সেই হতাশা বুঝতেই দেননি শেহবাগ-যুবরাজ। শুরু থেকেই শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপরে চড়াও হয়ে একেবারে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন দুজনে। মাত্র ৪০ বলে ফিফটি করেছেন যুবরাজ। ফিফটি করতে শেহবাগ নিয়েছেন তার চেয়ে ৪ বল বেশি। তবে তিন অংক স্পর্শ করার লড়াইয়ে সতীর্থকে হারিয়ে দিয়েছেন 'বীরু'। দশম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করতে শেহবাগের লেগেছে ৭৫ বল। আর একাদশ সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে ৮২ বল খরচ করেছেন যুবরাজ। এই দুজনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্যই এক সময় চার শ' করারও স্বপ্ন দেখতে পারছিল 'টিম ইন্ডিয়া'। শেষ পর্যন্ত সেটা অবশ্য হয়নি। তৃতীয় উইকেটে দুজনের মধ্যে ২৭.৫ ওভারে গড়ে ওঠা ২২১ রানের বিশাল জুটিটা ভেঙ্গেছেন মুরালিধরন, যুবরাজকে কাপুগেদারার ক্যাচ বানিয়ে। মঙ্গলবার এটাই মুরালির একমাত্র সাফল্য এবং এই উইকেটই আকরামের পাশে দাঁড় করিয়েছে সর্বকালের সেরা অফস্পিনারকে। যুবরাজের ৯৫ বলে ১১৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ১৭ বাউন্ডারি ছাড়াও ছিল একটি বিশাল ছক্কা। যুবরাজ ফিরে যাওয়ার সময় ভারতের স্কোর ৩ উইকেটে ২৪৫ রান। এরপর শেহবাগও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তিন ওভার পর দলের সংগ্রহে আর ২০ রান যোগ হতেই তিনি রান আউট! মিডঅফে বল ঠেলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে জয়াসুরিয়ার সরাসরি থ্রোতে আউট হয়ে গেছেন ভারতের 'বিস্ফোরক' ওপেনার। ৯০ বলে ১১৬ রান করা শেহবাগ ১৭টি বাউন্ডারি মারলেও বিস্ময়করভাবে কোনো ছক্কা আসেনি তার ব্যাট থেকে! শেবাগকে হারানোর দুঃখ ভুলতে অবশ্য সময় লাগেনি ভারতের। সুরেশ রায়না (৯) অজন্তা মেন্ডিসের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হলেও ভারতকে সাড়ে তিন’শ পার করিয়েছে ইউসুফ পাঠানের আক্রমণাত্মক ফিফটি। মাত্র ৩৮ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৯ রানে অপরাজিত থাকা পাঠানদের বড় ভাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেটে ৮৫ রানের জুটি গড়েছেন। ধোনি অপরাজিত ছিলেন ৩৫ রানে। সংক্ষিপ্ত স্কোর : ভারত : ৫০ ওভারে ৩৬৩/৫ (শেহবাগ ১১৬, তেন্ডুলকার ৭, গম্ভীর ১০, যুবরাজ ১১৭, ধোনি ৩৫*, রায়না ৯, ইউসুফ ৫৯*, অতিরিক্ত ১০; কুলাসেকারা ০/৬৮, ফার্নান্দো ১/৬৩, মাহারুফ ০/৬৮, মেন্ডিস ১/৬৪, মুরালিধরন ১/৬০, জয়াসুরিয়া ০/৪০)। শ্রীলঙ্কা : ৪১.৪ ওভারে ২১৬/১০ (সাঙ্গাকারা ৮৩, দিলশান ৩১, জয়াবর্ধনে ৩০, মাহারুফ ২২; ওঝা ৪/৩৮, কুমার ২/৪১) ফল: ভারত ১৪৭ রানে জয়ী ম্যান অফ দ্য ম্যাচ : যুবরাজ সিং
Please visit vinnobasar sponsorer:
Taking care of your parents in Kolkata
http://www.nriparentalcare.com/

Tuesday, February 3, 2009

আসন্ন নির্বাচনে সিপিএম ১০-১২ জন সাংসদকে টিকিট দিচ্ছেনা.........।


Please visit vinnobasar sponsorer:Taking care of your parents in Kolkata
http://www.nriparentalcare.com/

দিলীপ সাউ,কলকাতা,
৩রা ফেব্রুঃ০৯ -ননপারফর্মার, যে সকল সিপিএম সাংসদের বদনাম রটেছে এমন ১০-১২ জনকে দল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করবে না এমনটাই সম্প্রতি কোচিতে অনুষ্ঠিত পলিটবু্যরোর সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক প্রকাশকারাত রাজ্য নেতাদের জানিয়েছেন ,সম্মেলনে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে বিমান বসু,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য এব্যপারে তাদের সম্মতি জানিয়েছেন রাজ্যনেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের পরিছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থী দাঁড় করিয়ে বিরোধিদের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে চেয়ে ২০০৬ সালেও প্রয়াত অনিল বিশ্বাস এমন কৌশল নিয়ে অনেকটাই সফলতা পান। বাতিলের তালিকায়ে প্রথম নামটাই হছে হলদিয়ার লক্ষন শেঠের রাজকিয় চালচলনে দলের ভাবমূর্ত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে রাজ্য সম্পাদক বিমান বসুও মনে করেন। এজন্য তিনি কঠোর ভাবে সমালোচনাও করেছেন হলদিয়ার অঘোষিত মুখ্যমন্ত্রীর। দলের নীচুতলার কর্মীরাই লক্ষন শেঠের ওপর দারুণ বীতশ্রদ্ধ। বাতিলের অন্যান্যদের মধ্যে তালিকায় রয়েছেন অমিতাভ নন্দী, তড়িতবরণ তোপদার, রুপচাদ পাল, রুপচাদ মূর্মু, অনিল বসু, জ্যোতির্ময়ী শিকদার, রামচন্দ্র ডোম, বাসুদেব বর্মন, হান্নান মোল্লা, সুধাংশু শীল, অলোকেশ দাস প্রমুখের নাম।

Monday, February 2, 2009

মিডিয়ার মাধ্যমে নয় কুটনৈতীক সুসম্পর্কের স্বার্থে সরাসরি কথা বলুক পাকিস্তানঃ প্রনব












“কুটনৈতিক ভাবে ভারত পাকিস্থানের সম্পর্ক এখনও এতটা অবনত হয়নি, যে মিডিয়ার মাধ্যমে কথা চালাচালি করতে হবে” মন্তব্য করেছেন বিদেশমন্ত্রী প্রনব মুখার্জী। সম্প্রতী ‘মুম্বাই হামলার রিপোর্ট’ পাকিস্থান প্রকাশ করেছে এমন দাবি মিডিয়াতে করলেও ভারত সরকার কে সরাসরি কিছু না জানানও প্রনব মুখার্জীর এই মন্তব্য। প্রনব চান রাষ্ট্রদুতের মাধ্যমে রিপোর্ট্ টি ভারতের হাতে তুলেদিক পাকিস্তান। পাক জঙ্গী ঘাঁটি সম্পর্কে নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে ভারতের হাতে।
এতদিন পাকিস্তানের আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতি এলাকাই তালিবান দের ঘাঁটি এবং আল-কায়দার নিরাপদ আস্তানা বলে পরিচিত ছিল৷ এখন মনোরম সোয়াত উপত্যকাও বস্তুত জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে৷

সোয়াত ভ্যালিকে কিন্তু উজরিস্তানের মতো প্রত্যন্ত প্রদেশ বলার কোনো উপায় নেই।
রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে তার দূরত্ব আকাশপথে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার৷ এবং সেই সোয়াত ভ্যালির নতুন একচ্ছত্র অধিপতি হল মৌলানা ফজলুল্লা৷ ফজলুল্লা ও তার যোদ্ধারা পাকিস্তানী তালিবানেরই অঙ্গ৷ সোয়াতে তার নিজস্ব বেতারকেন্দ্র থেকে ইসলামের এক মৌলবাদী সংস্করণ প্রচারণার জন্য তার ডাকনাম ‘রেডিও মোল্লা’৷ আবার তালিবানও এই বেতার অনুষ্ঠানটি ব্যবহার করছে তাদের নিজের কাজে৷ যেমন গত সপ্তাহান্তে ঐ বেতার অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এবং সাংসদ সহ জনা চল্লিশেক ব্যক্তির নাম পাঠ করা হয়েছে, তালিবান যাদের আদালতে বিচার করার অভিপ্রায় রাখে৷
সোয়াত ভ্যালিতে তালিবান বিরোধীদের হত্যা এবং গুমখুন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার, যেখানে সেনাবাহিনীও রাত্রে তাদের ছাউনি থেকে বেরনোরই সাহস করে না৷
পাকিস্তানের সাংবাদিক আহমেদ রশিদ এক আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত তালিবান বিশেষজ্ঞ৷ তিনি বলেন, ‘সমগ্র সোয়াত ভ্যালি জঙ্গিদের হাতে বলেই মনে হচ্ছে - এক সেনাবাহিনীর শিবিরগুলো ছাড়া, যেমন সোয়াতের বৃহত্তম শহর মিঙ্গোরা৷ কিন্তু গ্রামাঞ্চলে জঙ্গিদের কথাই চলে দেখা যাচ্ছে৷ তারা চরমপত্র দিয়েছিল, ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে সব মেয়েদের স্কুল বন্ধ করতে হবে৷ এবং দৃশ্যত তাই ঘটেছে৷ পাক সেনাবাহিনী তা রোখার জন্য কিছুই করেনি৷
সোয়াত ভ্যালিতে আনুমানিক ৪,০০০ তা্লিবান যোদ্ধাকে সামাল দিতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর চারটি ব্রিগেড, অর্থাৎ ১২ থেকে ১৪ হাজার সৈন্য নিযুক্ত৷ সোয়াত ভ্যালি যে আজ বস্তুত তালেবানের নিয়ন্ত্রণে, মাসের পর মাস যুদ্ধ চালিয়েও এই সৈন্যরা সেটা রুখতে পারেনি৷
আহমেদ রশিদের মতে সমস্যা হল এই যে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াই-এর জন্য প্রশিক্ষণ পায়নি, বরং ভারতের বিরুদ্ধে প্রথাগত লড়াই-এর জন্যই তালিম পেয়েছে৷ মার্কিনীরা বিগত ছ'মাসে সেনাবাহিনীকে বিদ্রোহ দমনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বারংবার৷ কিন্তু পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বক্তব্য: আসল শত্রু তো ভারত৷
তালিবানের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে হাল না ধরতে পারার আরেকটা কারণ হল, যে পাকিস্তানের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলি অতীতে বিদেশনীতিগত কারণে এই তালিবানকেই সমর্থন করেছে৷
তৃতীয়তঃ, সোয়াতে কি অন্যত্র, বোমা ফেলে এবং অনর্থক বহু অসামরিক ব্যক্তির প্রাণনাশ করে কিছুটা এলাকা দখল করার ক্ষমতা হয়তো সেনাবাহিনীর আছে, কিন্তু বিজিত এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা নেই৷ কাজেই তালেবানের শুধু ফেরার মওকা খোঁজা৷


Please visit vinnobasar ponsorer:Taking care of your parents in Kolkata


http://www.nriparentalcare.com/

বাড়ি ফিরে এলেন মনমহন।

২রা ফেব্রুঃ'০৯- আট দিন হাসপাতালে শুয়ে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন প্রধান মন্ত্রী। ডাক্তারদের তারা দিচ্ছিলেন রিলিজ় অর্ডার দেওয়ার জন্য।
ডাক্তারের অনুমতী মিললো বাড়ি ফিরে এলেন মনমহন। বাড়ি ফিরে প্রাতরাশ সারলেন স্ত্রী ও মেয়েদের সাথে। যদিও এখনই স্বাভাবিক কাজ কর্মে ফিরে যেতে পারছেন না।নিয়ম মেনে চলা, হাল্কা ব্যায়াম আর তার সাথে সম্পুর্ন বিশ্রাম।
মনমহনের দেখাশোনার জন্য প্রধানমন্ত্রী বাসভবনে সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকবেন দু’জন ডাক্তার, আশিষ কন্ট্রাক্টার ও বিজয় ডি.সিলভা। থাকবেন তিন জন নার্স।
ডাক্তাররা তার মনের জোরের প্রশংসা করে বলেছেন।–মনের জোরেই দ্রুত আরগ্য লাভ করতে পারলেন প্রধানমন্ত্রী।
এতদিন হাসপাতালে ডাক্তারদের সাথে কি কথা হ’ল প্রধানমন্ত্রীর?
মূলত দেশ ও দেশ চালানোর কথা। দেশের হালহকিকত নিয়ে বেশি আলোচনা করেছেন মনমহন । নিজের শরীর নিয়ে বিশেষ চিন্তিত ছিলেন না। ডাক্তারদের সাথে খোলা মনে কথা বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অস্ত্র প্রচারের প্রধান ডাক্তার রমাকান্ত পান্ডা জানিয়েছেন – সাধারনত এই ধরনের রুগীরা সেরে উঠতে ছয় সপ্তাহ সময় নেয়।পান্ডার বিশ্বাস মনের জোরে চার সপ্তাহে সেরে উঠবেন প্রধানমন্ত্রী।






Please visit vinnobasar sponsorer:


Taking care of your parents in Kolkata




Sunday, February 1, 2009

আজ জাতীয় লীগের খেলায় মোহন বাগান ২-১ গোলে হারাল এয়ার ইন্ডিয়াকে......

Please visit vinnobasar sponsorer:Taking care of your parents in Kolkata
www.nriparentalcare.com

আজ জাতীয় লীগের খেলায় মোহন বাগান ২-১ গোলে হারাল এয়ার ইন্ডিয়াকে। খেলার ১৩মিনিটের মাথায় উত্তম সিংয়ের গোল এয়ার ইণ্ডিয়া কে এগিয়ে দেয়।
এর পরে জ্বলে ওঠে মোহনবাগান, জেমস এর কর্নারে হেডে গোল করেন ব্যারেটো (৪৩ মিঃ)। খেলার ফলাফল তখন ১-১।
এরপ র দ্বিতিয়ার্দ্ধের মাঝামাঝি সময়ে শেষ গোলটি করেন ব্যারেটো। জয় লাভ করে মোহনবাগান।
ম্যান অফ দ্যি ম্যাচ ব্যারেটো।


আজ জাতীয় লীগের খেলা মোহন বাগান ও এয়ার ইন্ডিয়ার খেলায় প্রথমার্ধে ১-১



আজ জাতীয় লীগের খেলার প্রথমার্ধের খেলার শেষে মোহন বাগান ও এয়ার ইন্ডিয়ার খেলায় এক এক ড্র।খেলার ২০মিনিটের মাথায় মোহন বাগান ১-০ গোলে পিছিয়ে যায়।খেলার ৪৩মিনিটের মাথায় খেলায় সমতা ফেরায় ব্যারেটো।প্রথমার্ধের খেলার শেষে ১-১ ফলাফল।

Please visit vinnobasar sponsorer:
Taking care of your parents in Kolkata
http://www.nriparentalcare.com/